Home
বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস এবং জিম্মি জনগণ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 14 October 2018 23:25

অধিকৃতি সন্ত্রাসীদের

বাংলাদেশের ইতিহাসে যারা নৃশংসতম সন্ত্রাসের নায়ক তারা মহল্লার চোর-ডাকাত, পেশাদার খুনি বা কোন রাজনৈতিক দলের ক্যাডার নয় সে ভয়ংকর সন্ত্রাসী শক্তি হলো দেশের সরকার বস্তুতঃ সমগ্র দেশ আজ অধিকৃত সন্ত্রাসীদের হাতে। সে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে চাকর-বাকরের ন্যায় ব্যবহৃত হচ্ছে দেশের পুলিশ, ডিবি পুলিশ, RAB, বিজিবি এবং সেনা বাহিনীর লোক-লস্করেরা ২০১৩ সালের ৫ই মে শাপলা চত্ত্বরে নিরপরাধ মানুষ হত্যার যে নৃশংস তাণ্ডবটি হলো -সেরূপ গণহত্যার সামর্থ্য কি দেশের পেশাজীবী চোর-ডাকাত, খুনি ও সন্ত্রাসীদের আছে? স্বৈরশাসনের এটিই হলো সবচেয়ে বড় নাশকতা। যেখানে স্বৈরশাসক থাকবে অথচ সন্ত্রাসী গণহত্যা ও গণনির্যাতন থাকবে না -তা কি কখনো ভাবা যায়? কারণ, ভোটের বদলে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এগুলিই তো তাদের একমাত্র হাতিয়ার। সন্ত্রাস ছাড়লে ক্ষমতাও ছাড়তে হয় সেটি প্রতিটি স্বৈরাচারি শাসকই বুঝে। তাই নিরস্ত্র মানুষের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস যেমন নমরুদ, ফিরাউন, হালাকু, চেঙ্গিজ ও সকল ঔপনিবেশিক শক্তির আমলে হয়েছে -আজও হচ্ছে। বরং পুরনো স্বৈরশাসকদের সন্ত্রাসের নীতি নতুন নৃশংসতা পেয়েছে নতুন স্বৈর শাসকদের হাতে।

Last Updated on Wednesday, 17 October 2018 18:15
Read more...
 
বাংলাদেশে আসন্ন রাজনৈতিক ভূমিকম্প এবং স্বৈরাচার নির্মূলে নয়া আশাবাদ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 23 September 2018 08:02

নির্মূলের আতংক স্বৈর মহলে

স্বৈরশাসকগণ নিজেদেরকে যতই শক্তিশালী ভাবুক না কেন, সেটি বাইরের খোলস। মনের গভীরে তারা অতি দুর্বল তাদের প্রতিটি মুহুর্ত কাটে নির্মূলের ভয়ে। নিরস্ত্র জনগণের ধাক্কায় তাদের গদি সহজেই উল্টে পড়ে। নিরস্ত্র কিশোর-বিদ্রোহেও তারা যে কতটা শিউরে উঠে -সেটি তো সম্প্রতি ঢাকার রাস্তায় দেখা গেল। সে দুর্বলতার আরো প্রমাণ মেলে সশস্ত্র সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনী ও দলীয় গুণ্ডাবাহিনীর উপর সদা নির্ভরতা। অপর দিকে সরকার বৈধতা পায় এবং জনগণের মাঝে শক্ত ভিত্তি পায় জনপ্রিয়তার শিকড় থাকাতে সে শিকড়টি মজবুত হয় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের রায়ের ভিত্তিতে ক্ষমতায় আসাতে এরূপ গণতান্ত্রিক সরকারগুলো হলো জনগণের নিজস্ব সরকার; সে সরকারগুলিকে পাহারা দেয় খোদ জনগণ। এমন একটি নির্বাচিত সরকারকে হঠাতে যখনই কোন অশুভ শক্তি আঘাত হানে, তারা শুধু সরকারের নয়, জনগণেরও শত্রু রূপে গণ্য হয় কারণ সেরূপ হামলায় মারা পড়ে জনগণের নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার। গণতান্ত্রিক সরকারের উপর সন্ত্রাসী হামলা তাই সভ্য সমাজে বৈধতা পায় না। সমর্থণও পায় না। তাই তুরস্কের নির্বাচিত সরকারের উৎখাতে যখন সামরিক ক্যুর চেষ্টা হয় তখন জনগণের অধিকারের উপর সে ডাকাতি রুখতে হাজার হাজার জনগণ রাস্তায় নেমে আসে অনেকে কামানের গোলায় এবং টাংকের নীচে শুয়ে প্রাণও দিয়েছে। প্রতিবাদি জনগণ ক্ষমতা ছিনতাইয়ের সে অপচেষ্ঠা এভাবেই ব্যর্থ করে দেয়।

 

Last Updated on Friday, 28 September 2018 23:09
Read more...
 
হজ্বের গুরুত্ব ও মুসলিমদের ব্যর্থতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 27 August 2018 09:14

ছবক পূর্ণ আত্মসমর্পণের

এ বিশ্বচরাচরে প্রতিটি মানব সন্তানের সামনে পথ মাত্র দুটি -যার একটিকে বেছে নেয়া ছাড়া সামনে কোন তৃতীয় বিকল্প পথ নেই। মানব জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাটি স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে হয় না, বরং সেটি হয় এ দুটি পথের মাঝে সঠিক পথটি বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে। এখানে ফেল করলে জীবনের অন্যান্য অঙ্গণে হাজারো সফলতাতেও কোন লাভ হয় না; বরং অনন্ত-অসীম কালের জন্য ভয়ানক আযাবে পড়তে হয়। প্রথম পথটি হলো মহান আল্লাহতায়ালার প্রতিটি হুকুমের প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণের। দ্বিতীয়টি, তাঁর বিরুদ্ধে অবাধ্যতা বা বিদ্রোহের। প্রকৃত সফলতা মেলে পূর্ণ আত্মসমর্পণে; এটিই মানব সৃষ্টিকে স্রষ্টার সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টিতে পরিণত করে। অপর দিকে যেখানেই আল্লাহতায়ালার বিরুদ্ধে অবাধ্যতা, সেখানেই আসে পথভ্রষ্টতা ও বিপর্যয় -যা মানুষকে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট জীবে পরিণত করে এবং পরকালে জাহান্নামে নিয়ে হাজির করে। তখন এ জীবনে বাঁচাটিই অন্তহীন আযাবের কারণ হয়।

Last Updated on Monday, 27 August 2018 09:37
Read more...
 
বাংলাদেশে স্বৈরশাসনের আপদঃ নিপাত কেন জরুরী? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহরবুব কামাল   
Saturday, 08 September 2018 15:43

বিপদ বিরামহীন যুদ্ধাবস্থার

যে কোন মুসলিম দেশেই স্বৈরশাসনের আপদটি অতি ভয়াবহ। ঈমানদার রূপে বেড়ে উঠা দূরে থাক, তখন অসম্ভব হয় সভ্য মানুষ রূপে বেড়ে উঠা। ঘুর্ণিঝড়, ভূমিকম্প, মহামারি বা প্লাবনে এতবড় বিপদ ঘটে না। ফিরাউন-নমরুদের ন্যায় তারাও মহান আল্লাহতায়ালার আযাবকে অনিবার্য করে তোলে। কারণ, এরা শুধু জনগণের শত্রু নয়, শত্রু মহান আল্লাহতায়ালারও। তাদের এজেন্ডা স্রেফ নিজেদের খেয়ালখুশির প্রতিষ্ঠা। নিজেদের স্বেচ্ছাচারিতা বাঁচাতে এরা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় মহান আল্লাহতায়ালার কর্তৃত্ব ও তাঁর সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে। আইন তৈরীর অধিকার তারা নিজ হাতে নিয়ে নেয়। ফলে তাদের যুদ্ধ মহান আল্লাহতায়ালার শরিয়ত, হুদুদ ও কেসাসের বিধানের বিরুদ্ধে। পবিত্র কোরআন এদেরকে চিত্রিত করা হয়েছে মুস্তাকবিরীন রূপে। আরবী ভাষায় মুস্তাকবিরীন বলতে তাদের বুঝায় যারা নিজেদেরকে সবার চেয়ে শ্রেষ্ঠ বা বড় মনে করে। অথচ নিজেকে শ্রেষ্ঠ বা বড় মনে করার অধিকারটি একমাত্র মহান আল্লাহতায়ালার। মুস্তাকবিরীনদের কলাবোরেটর রূপে থাকে এমন এক দালাল শ্রেণীর দুর্বৃত্ত নেতা, কর্মী ও বুদ্ধিজীবী -যাদের কাজ স্বৈরশাসকের সকল দুষ্কর্মের সমর্থণ করা। তাদের আরো কাজ, স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে যখনই সত্য ও ন্যায়ের বানি নিয়ে ময়দানে নামে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা। হযরত মূসা (আঃ) ও তাঁর অনুসারিদের নির্মূলে ফিরাউনের পাশে এদের অবস্থানটি ছিল তার মন্ত্রি, পরামর্শদাতা, সভাসদ, গোত্রপতি, সেনাপতি ও লাঠিয়াল রূপে। মানব ইতিহাসে এরাই হলো অতি নিকৃষ্ট শ্রেণীর দুর্বৃত্ত। এদের অপরাধ সাধারণ চোর-ডাকাতদের চেয়েও জঘন্য। সাধারণ চোর-ডাকাতগণ স্বৈরশাসকদের বাঁচাতে গণহত্যায় নামে না, কিন্তু এরা নামে। যুগে যুগে ফিরাউনগণ দীর্ঘায়ু পেয়েছে বস্তুতঃ এদের কারণেই।

Last Updated on Wednesday, 12 September 2018 21:31
Read more...
 
বিজয় গুন্ডাতন্ত্রের এবং মৃত আইনের শাসন PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 13 August 2018 21:30

বিজয় অসভ্যতার

প্রতিটি সভ্য সমাজই সুস্পষ্ট কিছু আলামত নিয়ে বেঁচে থাকে। সে আলামতগুলি হলোঃ এক). আইনের শাসন; দুই). নাগরিকদের জান, মাল ও ইজ্জত নিয়ে বাঁচার অধিকার, তিন).রাষ্ট্র পরিচালনায় নাগরিকদের অংশ গ্রহণের অধিকার, এবং চার) ধর্ম-পালন, সংসার-পালন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও মত-প্রকাশের স্বাধীনতা। দেহে হৃপিণ্ড, ফুসফুস ও মগজের ন্যায় গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কোন একটি কাজ না করলে মৃত্যু অনিবার্য। তেমনি সভ্য সমাজের মৃত্যুও অনিবার্য, যদি উপরের চারটি উপাদানের কোন একটি বিলুপ্ত হয়। তখন জোয়ার আসে অসভ্যতার। এজন্যই প্রতিটি সভ্য সমাজে শুধু লিপিবদ্ধ আইনই থাকে না, থাকে আইনের শাসনও। থাকে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণ। প্রতিটি নাগরিকের থাকে প্রাণে বাঁচার অধিকার। আইনের শাসনের অর্থ হলো কেউই বিচারের উর্দ্ধে নয়। অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী শাস্তি পাওয়াটি অনিবার্য। দেশের প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টও সে শাস্তি থেকে মুক্তি পেতে পারে না। সে শাস্তি না হওয়াটা তাই অনিয়ম এবং সেটি অসভ্যতার আলামত।

Last Updated on Monday, 13 August 2018 21:40
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 1 of 46
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.