Home •শিক্ষা ও প্রচার মাধ্যম

Article comments

•শিক্ষা ও প্রচার মাধ্যম
অশিক্ষাl ও কুশিক্ষার নাশকতা (দ্বিতীয় পর্ব) PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 06 March 2018 19:37

মানব যে কারণে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট হয়

হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া বন্ধ হলে দেহের মৃত্যু ঘটে। সুশিক্ষা না পেলে তেমনি মৃত্যু ঘটে মানবতা ও ঈমানের। অশিক্ষিত ও কুশিক্ষিত সে ব্যক্তিটি তখন শুধু দেহ নিয়ে বাঁচে। এবং দেহকে মোটাতাজা করে ও দিবারাত্র কাজে লাগায় পশুর ন্যায় জৈবীক তাড়না মেটাতে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহতায়ালা এদেরকে শুধু পশু নয়, পশুর চেয়েও নিকৃষ্টতর বলেছেন। আরো বলেছেন, এরা চোখ থাকলেও দেখে না, কান থাকলেও শুনে না এবং মগজ থাকলেও ভাবে না। বলা হয়েছে, এরাই হলো সর্বনিকৃষ্ট জীব। এসব মনুষ্য জীবেরা বন্য পশুর চেয়েও যে কতটা বর্বর ও হিংস্রতর হতে পারে -ইতিহাসে সে প্রমাণ প্রচুর। দুটি বিশ্বযুদ্ধে এরাই সাড়ে সাত কোটি মানুষকে হত্যা করেছে। ধ্বংস করেছ হাজার হাজার নগর-বন্দর, লক্ষ লক্ষ ঘরাড়ি এবং অসংখ্য কলকারখানা, রাস্তাঘাট ও দোকানপাট। দু’টি শহরের উপর নিক্ষেপ করেছে পারমানবিক বোমা। মানবরূপী এমন জীবদের হাতে কোন দেশ অধিকৃত হলে সেদেশ রেকর্ড গড়ে দুর্বৃ্‌ত্তি, সন্ত্রাস, ডাকাতি, হত্যা, গণহত্যা, অশ্লীলতা, ধর্ষণ ও বর্বর স্বৈরাচারে। পৃথিবীর নানা দেশে এরূপ জীবদের হাতেই পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ, বর্ণবাদ, ফ্যাসিবাদ, স্বৈরতন্ত্র, জাতিয়তাবাদ ও কম্যুনিজমের ন্যায় নানারূপ হিংস্র মতবাদের প্রতিষ্ঠা ও বীভৎস নাশকতা ঘটেছে। আজও আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন, কাশ্মির ও আরাকানে যেরূপ ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চলছে, সেটি কোন বন্যপশু, সুনামী, ভূমিকম্প ও রোগ-জীবাণুর কারণে নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প, পুটিন, বাশার আল আসাদ, জেনারেল সিসি, নরেন্দ্র মোদী, ও অঙ সাঙ সুকির ন্যায় মানবরূপী যে অসংখ্য দানবগণ দেশে দেশে অধিকৃতি জমিয়েছে –এরূপ বীভৎস নাশকতার নায়ক তো তারাই। তাদের কারণে সন্ত্রাস আজ আর স্রেফ খুনি ও ডাকাতদের পেশা নয়; সেটি বরং এসব দানব-অধিকৃত রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় নীতি। ফলে সন্ত্রাস এখন ভয়ানক আন্তর্জাতিক যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। তাদের সন্ত্রাসটি তাদের বিরুদ্ধেও যারা ইসলামের  প্রতিষ্ঠা নিয়ে ময়দানে নামে; এবং সেটি বিশ্বের যে কোন প্রান্তে।

Last Updated on Saturday, 10 March 2018 23:14
Read more...
 
অশিক্ষা ও কুশিক্ষার নাশকতা (পর্ব এক) PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 06 February 2018 06:55

কুশিক্ষার কুফল

মানব জীবনের মূল সাফল্যটি স্রেফ মনুষ্য প্রাণী রূপে বাঁচায় নয়। সেটি পরিপূর্ণ ঈমানদার রূপে বাঁচায়। আর ঈমানের পুষ্টি কখনোই খাবারের প্লেটে, সম্পদে বা ঔষধে মেলে না। সেটি আসে পবিত্র কোরআনের জ্ঞানে। ফলে কোরআনের জ্ঞানের শূন্যতা নিয়ে যে শিক্ষা তার কুফলটি অতি ভয়ংকর। এমন শিক্ষাই মূলতঃ কুশিক্ষা। এমন কুশিক্ষার ফলেই মানব শিশু অতি হিংস্র ও ইতর দুর্বৃত্তে পরিণত হয়। সে কুশিক্ষা পরকালে জাহান্নামের আগুনেও হাজির করে। মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বড় ক্ষতিগুলো কোন কালেই হিংস্র পশু, রোগজীবাণু, ঘুর্ণিঝড়, ভূমিকম্প বা সুনামীর কারণে হয়নি। সে বীভৎস বর্বরতাগুলো ঘটেছে এমন সব দুর্বৃত্তদের হাতে যারা বেড়ে উঠেছে অশিক্ষা ও কুশিক্ষার মধ্য দিয়ে। তাই মানব সমাজে সবচেয়ে বড় নেক কর্মটি অর্থদান, খাদ্যদান বা চিকিৎসা-দান নয়, সেটি সুশিক্ষা-দান। এবং সবচেয়ে জঘন্য অপরাধ কর্মটি হলো কুশিক্ষা-দান। কুশিক্ষার কারণে মানব সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়ে যায়। কুশিক্ষিত সে ইতর মানুষটি মহান আল্লাহতায়ালার খলিফা হওয়ার বদলে শয়তানের খলিফায় পরিণত হয়।  মুসলিম রূপে বেড়ে উঠা দূরে থাক, সাধারণ মানুষ রূপে বেড়ে উঠাও তার পক্ষে অসম্ভব হয়। কুশিক্ষা এভাবেই মানব জীবনে সবচেয়ে বড় নাশকতাটি ঘটায়। এমন ব্যক্তির দেহের পুষ্টিতে নাশকতা বাড়ে ইসলামের বিরুদ্ধে। অপর দিকে শত কোটি টাকা দানেও কাউকে জাহান্নামের আগুণ থেকে বাঁচানো যায় না। দানের অর্থ গুনাহের কাজে বিনিয়োগ করে সে ব্যক্তি বরং জাহান্নামের বাসিন্দা হতে পারে। এজন্যই মহান আল্লাহর সূন্নত, তিনি যখন কারো সবচেয়ে বড় কল্যানটি করেন, তাকে পবিত্র কোরআনের জ্ঞান দান করেন।

 

Last Updated on Tuesday, 06 March 2018 19:37
Read more...
 
বাংলাদেশে শিক্ষানীতির নাশকতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 25 January 2013 01:34

হাতিয়ার দেশধ্বংস ও চরিত্রধ্বংসের

বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় নাশকতাটি কৃষি,শিল্প,বাণিজ্য বা অর্থনীতিতে হচ্ছে না। বরং সেটি হচ্ছে শিক্ষাঙ্গণে। জীবননাশী সবচেয়ে হিংস্র জীবগুলো বাংলাদেশের বনেজঙ্গলে বেড়ে উঠেনি,বেড়ে উঠেছে কলেজ­-বিশ্ববিদ্যালয়ে। সম্প্রতি যে পশুগুলো বিশ্বজিং দাশের জীবন কেড়ে নিল তারা সুন্দর বন থেকে বেরুয়নি,ডাকাত দল থেকেও আসেনি। বরং এসেছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে। বাংলাদেশের বনেজঙ্গলে হিংস্রপশুর সংখ্যা কমে গেলে কি হবে,মানবরূপী এ পশুদের সংখ্যা পঙ্গপালের ন্যায় বেড়েছে। বাংলাদেশ যে কারণে দূর্নীতিতে বিশ্বে ৫ বার প্রথম স্থান অধিকার করেছে -সেটি দেশের জলবায়ু,মাঠ-ঘাট ও আলোবাতাস নয়। মানুষ কি খায়,কি পান করে বা কি পরিধান করে –সে কারণেও নয়। বরং কারণটি হলো দেশের শিক্ষা­ব্যবস্থা। দেশের মানুষ কীরূপ ধ্যান-ধারণা ও চরিত্র নিয়ে বেড়ে উঠবে,কীরূপ সংস্কৃতি নির্মিত হবে বা দেশ কোন দিকে যাবে -সে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি তো নির্ধারিত হয় শিক্ষানীতি থেকে।

Last Updated on Friday, 25 January 2013 01:44
Read more...
 
বাংলাদেশে শিক্ষানীতিঃ শিক্ষাঙ্গণ যেখানে ক্রাইম-ইন্ডাস্ট্রি PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 29 January 2013 23:48

দুর্বৃত্ত অধিকৃত শিক্ষাব্যাবস্থা

শিক্ষা শুধু জ্ঞানের বাহন নয়,অজ্ঞতা এবং মিথ্যারও বাহন। আজ ধর্মের নামে নানা অধর্ম,দর্শনের নামে নানা ভ্রষ্টতা,ইতিহাসের নামে নানা মিথ্যাচার যুগ যুগ বেঁচে আছে শিক্ষাকে বাহন করে। শিক্ষার দুটি রূপ:সুশিক্ষা ও কুশিক্ষা। যে দেশে শিক্ষাব্যবস্থা দুর্বৃত্তদের হাতে অধিকৃত হয়,সেদেশে শিক্ষার নামে প্লাবন বাড়ে কুশিক্ষার। সত্যের প্রচার এবং ন্যায়পরায়ন মানুষের বেড়ে উঠাটি তখন অসম্ভব হয়। দুর্বৃত্তরা মানব গৃহে নিষ্পাপ শিশু রূপে জন্ম নিলেও অপরাধী রূপে বেড়ে উঠে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। পণ্য উৎপাদনে যেমন ইন্ডাস্ট্রি, দুর্বৃত্ত উৎপাদনেও সেরূপ ইন্ডাস্ট্রি হলো দুর্বৃত্ত কবলিত স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশে এ ইন্ডাস্ট্রিগুলির উৎপাদন এতই অধিক যে দুর্বৃত্ত উৎপাদনে দেশটি বার বার বিশ্ব রেকর্ড গড়ছে। সেটিরই প্রমাণ,দূর্নীতিতে বিশ্বে ৫ বার প্রথম হওয়াটি। এ দুর্বৃত্তদের হাতে বাংলাদেশের রাজনীতি,প্রশাসন,পুলিশ,কোর্টকাচারি,ব্যাংক-বীমা,হাসপাতাল,ব্যবসা-বাণিজ্য পুরাপুরি ভাবে অধিকৃত। বনেজঙ্গলে ঢুকে হিংস্র পশুদের হাত থেকেও প্রাণে বেঁচে আসা যায়,কিন্তু দুর্বৃত্ত কবলিত বাংলাদেশের অফিস-আদালত,থানাপুলিশ থেকে নিস্তার পাওয়া কঠিন।কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা তাদেরকে শিকার ধরায় প্রচণ্ড কৌশলী বানিয়েছে। দুর্নীতির কারণেই দেশটিকে বিশ্বব্যাংক,আইএমএফ, এবং জাপানের ন্যায় দাতা সংস্থাগুলো পদ্মাসেতুর অর্থসাহায্য দিতে অস্বীকার করছে।

Read more...
 
সেক্যুলার শিক্ষার বিপদ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 05 June 2012 19:15

শিক্ষার গুরুত্ব ও কুশিক্ষার বিপদ

মানুষ মূলত তাই যা সে শিক্ষা থেকে পেয়ে থাকে। প্রস্তর যুগের আদিম মানুষটির সাথে আধুনিক মানুষের যে পার্থক্য সেটি দৈহিক নয়, বরং শিক্ষাগত। শিক্ষার কারণেই ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে এবং জাতিতে জাতিতে ভিন্নতা সৃষ্টি হয়। তবে সুশিক্ষার ন্যায় প্রতি সমাজে প্রচণ্ড কুশিক্ষাও আছে। কুশিক্ষার কারণেই ধর্মের নামে অধর্ম, নীতির নামে দূর্নীতি এবং আচারের নামে অনাচার বেঁচে আছে। এবং সংস্কৃতির নামে বেঁচে আছে আদিম অপসংস্কৃতি। সুশিক্ষার কারণে মানুষ যেমন সঠিক পথ পায়, তেমনি কুশিক্ষার কারণে পথভ্রষ্ট বা জাহান্নামমুখি হয়। আজকের মুসলমানদের ভয়ানক ব্যর্থতাটি কৃষি, শিল্পে বা বাণিজ্যে নয়, বরং সেটি শিক্ষায়। শিক্ষাক্ষেত্রে এ ব্যর্থতা থেকেই জন্ম নিয়েছে অন্যান্য নানাবিধ ব্যর্থতা। ভূলিয়ে দিয়েছে মানব-সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্যটি। ফলে মুসলমান ব্যর্থ হচ্ছে তার উপর অর্পিত খেলাফতের দায়িত্ব পালনে। অনেকেই ফিরে গিছে প্রাগ-ইসলামিক যুগের জাহিলিয়াতে। এরূপ পিছু হটাতে মুসলিম ভূমিতে মহান আল্লাহর শরিয়তি বিধানের বদলে জেঁকে বসেছে কুফরি আইন। বিলুপ্ত হয়েছে প্যান-ইসলামিক ভাতৃত্ব; প্রতিষ্ঠা পেয়েছে গোত্র, বর্ণ, ভাষা ও ভূগোলভিত্তিক রক্তাত্ব বিভক্তি। এবং বেড়েছে আল্লাহর হুকুমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ। ফলে শত্রুশক্তিকে মুসলিম ভূমিতে আজ আর কোন যুদ্ধই লড়তে হচ্ছে না। সে যুদ্ধটি মুসলিমরাই লড়ে দিচ্ছে। ইসলাম বেঁচে আছে প্রাণহীন ও অঙ্গিকারহীন আনুষ্ঠিকতা রূপে। সংজ্ঞাহীন মুমুর্ষ রোগীর দেহে যেমন মাতম থাকে না, তেমনি মাতম নাই পরাজিত ও বিপর্যস্ত এ মুসলমানদেরও। কোন জাতির জীবনে এরচেয়ে ভয়ানক ব্যর্থতা আর কি হতে পারে?

Read more...
 
Comments (1)
secularism
1 Monday, 11 June 2012 04:37
mustaque

Your very line " secularism amon ekti bidhan" is a good description of secularism. Basically it is a religion. It is the most clever deception that it expresses itself in the dress of humanity, justice, equality  etc etc demanding that it is no religion! We muslims should decide what religion our children should learn in the institutes run by  our tax money. -Mustaque

<< Start < Prev 1 2 3 4 Next > End >>

Page 2 of 4
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.